1. admin@shwapnoprotidin.com : admin : ddn newsbd
সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৪১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
লক্ষ্মীপুরে বৈষম্যবিরোধী, ছাত্রদল ও পুলিশের মধ্যে ত্রিমুখি সংঘর্ষ: ওসিসহ আহত ১০ মঙ্গল শোভাযাত্রার নাম পরিবর্তনের প্রবণতা সংস্কৃতির ওপর অযাচিত হস্তক্ষেপ: উদীচী ধোঁয়াশায় বিজিবি-বিএসএফ: গুলিবিদ্ধ সাদ্দামের লাশ ওপারেই, ফিরবে কবে? তেরখাদায় সরকারি বরাদ্দের ব্রিজ নির্মাণে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ নেত্রকোণায় দুই হিন্দু আওয়ামী লীগ নেতার বাড়িতে আগুন ওসিসহ আহত ২০, বৈষম্যবিরোধীদের সঙ্গে পুলিশ-ছাত্রদলের সংঘর্ষ জ্বালানি খাত নিয়ে দুঃসংবাদ শোনালেন অর্থমন্ত্রী হামের উপসর্গে একদিনে ১২ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ৯৭৪ এনসিপি নেতা গ্রেপ্তার, গৃহবধূকে শ্লীলতাহানির চেষ্টার অভিযোগ কুষ্টিয়ায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও এক শিশুর মৃত্যু

জামায়াত-বিএনপির সংঘর্ষে কৃষকদল নেতার মৃত্যু

প্রতিবেদকের নাম :
  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ, ২০২৬
  • ৪৯ সময় দর্শন
স্বপ্ন প্রতিদিন রিপোর্ট

ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডু উপজেলার কুল্ল্যাগাছা ভাতুড়িয়া গ্রামে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়া নিয়ে বাগবিতণ্ডার জেরে জামায়াত-বিএনপি কর্মীদের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এসময় আবুল কাশেম নামে এক কৃষকদল নেতার মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (২৫ মার্চ) রাত সাড়ে ৭টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। নিহত আবুল কাশেম উপজেলার কাপাশহাটিয়া ইউনিয়ন কৃষকদলের সাধারণ সম্পাদক ও কুল্ল্যাগাছা ভাতুড়িয়া গ্রামের আব্দুল লতিফ মন্ডলের ছেলে।

স্থানীয়রা জানায়, ঈদুল ফেতরের কয়েকদিন আগে স্থানীয় জামায়াত নেতা মুতালেবের ভায়ের মেয়ে হওয়ায় ফেসবুক আলহামদুলিল্লাহ বলে পোষ্ট দেয়। সেই পোস্টে কমেন্ট করে একজন বিএনপি নেতা। তার এই কমেন্ট করা নিয়ে ওই গ্রামের আব্দুল আজিজ ও কৃষকদল নেতা আবুল কাশেমের মধ্যে বাকবিতন্ডা হয়। তারা একে অপরের চাচাতো ভাই। বাকবিতন্ডার জেরে বুধবার রাতে আবুল কাশেম ও আব্দুল আজিজ হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে উভয়ের পরিবারের লোকজন মারামারিতে লিপ্ত হয়। হাতাহাতির এক পর্যায়ে আবুল কাশেম অচেতন হয়ে মাটিতে পড়ে যান। পরে তাকে উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. জুবায়ের বলেন, আবুল কাসেম হাসপাতালে পৌছানোর পরে মৃত্যু বরণ করেছেন। বাইরে কোন আঘাতের চিহ্ন নেই। ইন্টারনাল হেমারেজ হতে পারে তবে সেটা পোস্টমর্টেম ছাড়া জানা যাবেনা।

এ বিষয়ে কাপাশহাটিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শরাফুদ্দৌলা ঝন্টু জানান, তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে একই পরিবারের সদস্যদের মধ্যে সংঘর্ষ ও মারামারি হয়েছে। কয়েকদিন ধরেই তাদের মাঝে বিরোধ চলে আসছিলো।

এদিকে এই ঘটনাকে রাজনৈতিক বিরোধ হিসেবে দাবি করেন জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম পিন্টু। অভিযোগ করে তিনি বলেন, স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও জামায়াতের লোকজনের যৌথ হামলায় কৃষকদল নেতা নিহত হয়েছেন। জামায়াতের লোকজন ঝিনাইদহে গুপ্ত হত্যার রাজনীতি শুরু করেছে। এর আগে তারা ঝিনাইদহ সদরের কৃষকদল নেতা তরু মুন্সীর হত্যা করেছে। এটা তাদের পরিকল্পিত হত্যাকান্ড।

অপরদিকে হরিণাকুন্ডু উপজেলা জামায়াতের আমির বাবুল হোসেন এই অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়া নিয়ে একই পরিবারের সদ্যদের মধ্যে মারামারি হয়েছে। এক পর্যায়ে নিহত আবুল কাশেম তারই চাচা নাজের মন্ডলের ছোঁড়া ইটের আঘাতে মারা গেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। কিন্ত এ ন্যাক্কারজনক ঘটনার সঙ্গে কোন ভাবেই জামায়াত জড়িত নয়।

এ ব্যাপারে হরিণাকুন্ডু থানার ওসি গোলাম কিবরিয়া জানান, ফেসবুকে লেখালেখি নিয়ে পূর্ববিরোধের জেরে মারামারি হয়েছে বলে শুনেছি। চাচাতো ভাইদের মাঝে মারামারি হয়েছে, এমনটা জানতে পেরেছি। তবে এ ঘটনায় এখনো কেউ কোনো অভিযোগ করেনি। মরদেহ ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
২০২5© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host