1. admin@shwapnoprotidin.com : admin : ddn newsbd
শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৫১ পূর্বাহ্ন

উপড়ে ফেলা হলো বিএনপি নেতার চোখ, খবরে মায়ের মৃত্যু

প্রতিবেদকের নাম :
  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  • ১০২ সময় দর্শন
আহত মাসুদ রানা মজিদ

স্বপ্ন প্রতিদিন ডেস্ক

বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত তিনজন আহত হয়েছেন। এ সময় লাঠির আঘাতে মাঝগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি মাসুদ রানা মজিদের চোখ প্রায় উপড়ে যায়। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে হাসপাতালে নিলেও এ খবর ছড়িয়ে পড়লে স্ট্রোক করে মারা যান মজিদের মা মাজেদা খাতুন। গতকাল সোমবার রাতে নন্দীগ্রাম উপজেলার পারশুন গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। মাসুদ রানা মজিদ ছাড়াও অন্য আহতারা হলেন– তাঁর ভাই ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের কর্মী রবিউল ইসলাম এবং ছাত্রশিবিরের বগুড়া শহর শাখার সাথি পারশুন গ্রামের আসাদুল্লাহ হিল গালিব। মাসুদ ও তাঁর ভাই রবিউলকে প্রথমে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় মাসুদকে আজ মঙ্গলবার ঢাকায় জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়েছে। বিএনপির অভিযোগ, সোমবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে ভোটারদের মধ্যে টাকা বিতরণের জন্য স্থানীয় জামায়াতকর্মী বেলাল হোসেন ও ফারুক আহম্মেদ পারশুন গ্রামে যান। এ সময় বিএনপির লোকজন তাদের আটক করে পুলিশে খবর দেন। কিন্তু পুলিশ আসার আগেই জামায়াতের বেশ কিছু নেতাকর্মী অন্য এলাকা থেকে সেখানে গিয়ে বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালায়। তারা মাঝগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি মাসুদ রানা মজিদের বাড়িঘর ভাঙচুর করে। এক পর্যায়ে হামলাকারীদের লাঠির আঘাতে মাসুদের ডান চোখ প্রায় উপড়ে যায়। অন্যদিকে জামায়াতের দাবি, পারশুন এলাকায় বিএনপির মিছিল থেকে তাদের নেতাকর্মীর ওপর হামলা চালানো হয়। তাদের কর্মীকে গালিব মারধর এবং আরও দুই কর্মীকে আটকে রাখে বিএনপিকর্মীরা। মারধরে আহত গালিবকে শজিমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় আজ বগুড়া-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী মোশারফ হোসেন ও জামায়াত প্রার্থী ড. মোস্তফা ফয়সাল পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন করে একে অপরকে দায়ী করেছেন। নন্দীগ্রাম থানার ওসি মিজানুর রহমান বলেন, এখনও থানায় কেউ অভিযোগ দেয়নি। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নন্দীগ্রামের ইউএনও ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা শারমিন আরা বলেন, উভয় পক্ষ আমাকে বিষয়টি জানালে আমি পুলিশ এবং এসিল্যান্ডকে পাঠিয়েছিলাম। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
২০২5© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host