1. admin@shwapnoprotidin.com : admin : ddn newsbd
মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
হামে শিশুমৃত্যুর দায় ইউনূস সরকারের চাপ–হামলার মুখেও ইরানের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ জনগণ নাসার আর্টেমিস-২ মিশনে চারজন নভোচারী, ৫৬ বছরের রেকর্ড ভাঙল নাসা সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী আটক ভুট্টাক্ষেতে নিয়ে স্কুলছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ সরকারি দাম ১৭২৮, বিক্রি ২২শ-২৩শ টাকায়: এলপিজির বাজার অস্থির উপদেষ্টা রিজওয়ানা ও তার স্বামীর সর্বগ্রাসী প্রতিষ্ঠান, পর্বতসম সম্পদের তৈরির গোমর ফাঁস ইউনূসের মব বাহিনীর সেনাপতি ছিলেন আসিফ নজরুল : আনিস আলমগীর জামালপুরে চাঁদা না পেয়ে বিষ দিয়ে মাছ নিধনের প্রতিবাদে এলাকাবাসীর মানববন্ধন আজহারীর পর এবার আহমাদুল্লাহর অস্ট্রেলিয়ান ভিসা বাতিল, উগ্রবাদীদের ছাড় নেই সাফ জবাব মন্ত্রীর

কাকড়ার ক্রেতার চাহিদা বেশি থাকায় চলনবিলে তাড়াশ উপজেলার বাজারেগুলোতে কাকড়া বিক্রি হচ্ছে

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
  • আপডেটের সময় : বুধবার, ১৮ নভেম্বর, ২০২০
  • ৩৫৫ সময় দর্শন

চলনবিলের তাড়াশ উপজেলার বর্তমানে মাঠ থেকে পানি নামার সময় জেলেদের খরা জালে প্রচুর কাকড়া ধরা পড়ছে। তাড়াশ পৌর বাজার , মান্নাননগর বাজারসহ বিভিন্ন অস্থায়ী বাজারে এই ধরা পড়া কাকড়া বিক্রি হচ্ছে । ধর্মীয় দৃষ্টিতে মাকরুহ হওয়ায় মুসলিমরা না কিনলে অমুসলিমদের কাছে প্রিয় হওয়ায় চাহিদা প্রচুর । সরজমিনে জানা যায়, চলনবিলের প্রাণকেন্দ্র তাড়াশ উপজেলার বিল থেকে পানি নামার সময় খরা জালগুলোতে বড় বড় আকারের কাকড়া ধরা পড়ছে । তাড়াশ পৌর শহরের শুভ হোটেলের সামনে, মান্নান নগরের আড়ত সহ উপজেলার বিভিন্ন অস্থায়ী মাছের বাজারে ধরা পড়া কাকড়া বিক্রি হচ্ছে । তাড়াশ সদর বাজারের কাকড়া বিক্রেতা আবুল কালাম জানান, ওয়াবধাবাধ এলাকায় জেলে রমজান আলীর, রেজাউল করিম সহ কয়েকজন জেলের খরা জালে ধরা গড়া কাকড়াগুলো শহরের এই অস্থায়ী বাজারে প্রতিদিন সকালে বিক্রি করেন । কাকড়া ক্রেতা ও শহরের ব্যবসায়ী দুলাল চন্দ্র জানান তিনি ৩শ টাকা দরে ১ কেজি কাকড়া কিনলেন।

 

কাকড়া বিক্রেতারা জানান, পানি চলে যাওয়ার মুহুর্তে এই সময়ের কাকড়া বড় সাইজের হয়েছে এবং একজন জেলে প্রতিদিন ৭ থেকে ১০ কেজি কাকড়া পায় ফলে ৩শ টাকা দরে বিক্রি করা তারা আর্থিক ভাবে লাভবান হচ্ছে । আবুল কালাম আরো জানান বিগত বছর গুলো কাকড়াগুলো পাইকারী আড়তে বিক্রি হতো এবং এবারই প্রথম কাকড়ার দাম ভাল পাওয়ায় জেলেরা কাকড়া ধরে তাড়াশ এলাকার স্থানীয় বাজারে বিক্রি করতে উৎসাহী হয়েছে । তাড়াশ উপজেলা মৎস কর্মকর্তা মোঃ মশগুল আজাদ জানান, দেশের দক্ষিণ অঞ্চলে সাতক্ষীরা জেলায় বানিজ্যিকভাবে রপ্তানির জন্য কাকড়া চাষ করা হয় । কাকড়া ও চিংড়া একই জাতীয় খাবার এবং মুসলিম ধর্মের অনুসারীরা মাকরুহ জনিত কারণে চিংড়ি খেলেও কাকড়া খায়না । কাকড়া খাওয়ায় বিষয়টি সামাজিক ভাবে নিরুৎসাহিত রয়েছে ফলে সাধারনত বিক্রি হয় না ।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
২০২5© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host