1. admin@shwapnoprotidin.com : admin : ddn newsbd
রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬, ০২:২০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ইরানে অস্ত্র পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে চীন, দাবি মার্কিন গোয়েন্দা সূত্রের সপরিবারে নাটক দেখলেন তারেক রহমান ময়মনসিংহে এসএসসি পরিক্ষার্থীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ: প্রকাশ্যে ঘুরছে আসামি যুবদল নেতা শাহবাগে ট্রান্সজেন্ডার ও সমকামী সম্প্রদায়ের সদস্যদের ওপর মৌলবাদীদের হামলা রাঙ্গুনিয়ায় রাতের আঁধারে দুই মন্দিরে তাণ্ডব: প্রতিমা ভাঙচুর, স্বর্ণালঙ্কার লুট এক দশকের হামের ভয়াবহ প্রকোপে ২৬ দিনে ১৬৬ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি প্রায় ১৪ হাজার পুলিশের উপস্থিতিতেই কুষ্টিয়ায় উগ্রবাদী-তৌহিদি হামলায় পীর নিহত: আস্তানায় ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ-লুটপাট নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে আসন্ন তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা করল বাংলাদেশ ​ যুক্তরাষ্ট্রের সাত শহরে মুক্তি পেল ‘দম’ ক্ষতির মুখে বোরো আবাদ, সেচের ডিজেল না পেয়ে শূন্য হাতে ফিরছেন কৃষক

ভাঙ্গুড়ায় দাদন ব্যবসার ফাঁদে পড়ে নি:স্ব হচ্ছে ক্ষুদ্র কৃষক ও ব্যবসায়ী

প্রতিবেদকের নাম :
  • আপডেটের সময় : শনিবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৪
  • ২৫৪ সময় দর্শন

বিশেষ প্রতিনিধি.ভাঙ্গুড়া:
পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলায় অবৈধ দাদন ব্যবসার ফাঁদে পড়ে নি:স্ব হচ্ছে অনেক ক্ষুদ্র কৃষক ও ব্যবসায়ী। অপরদিকে মহাজনী কায়দায় অর্থলগ্নি করে টাকার পাহাড় গড়ছেন এক শেণির সূদের কারবারীরা। তাদের আয়ের উৎস সম্পর্কে সরকারি সংস্থাগুলোর কাছেও কোনো তথ্য নেই। ফলে আইনের চোখ ফাঁকি দিয়ে তারা নির্বিঘেœ সূদ ভিত্তিক অবৈধ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন।

জানাগেছে,উপজেলার প্রায় প্রতিটি গ্রামে সূদের কারবারী রয়েছে। এছাড়া কতিপয় সমিতি এসব কারবারের সাথে জড়িত বলে জানাগেছে। তারা দরিদ্র চাষী ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের চড়া সূদে ঋণ বা দাদন দেন। কৃষি ক্ষেত্রে এই দাদনের নাম ‘আকাশ কট’ বলে জানাগেছে। এজন্য দাদন গ্রহিতা একটি চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করেন অথবা ব্যাংকের চেক বইয়ের ফাঁকা একটি পাতা প্রদান করেন। এর শর্তানুযায়ী নির্ধারিত সময়ে সূদে-আসলে তা আদায় করা হয়। এছাড়া কারবারীরা সাপ্তাহিক কিংবা মাসিক কিস্তির মাধ্যমে সূদ আদায় করেন। ভুক্তভোগীরা জানান, এক লাখ টাকার সর্বনিম্ন মাসিক সূদ ১০ হাজার টাকা। দাদন গ্রহিতারা কিছুদিন কিস্তির টাকা জমা দিলেও চড়া সূদের কারণে পরে অধিকাংশ ব্যক্তি সূদ-আসল কোনোটাই পরিশোধ করতে পারেন না। ফলে সূদে কারবারীদের চাপে জমি ও ঘরবাড়ি বিক্রি করে টাকা পরিশোধ করতে তারা নি:স্ব হচ্ছেন।

উপজেলার ঝি:কলকতি গ্রামের রন্জু সরকার বলেন,চড়া সূদে দাদন নিয়ে গরু কেনা-বেচার ব্যবসা করে তিনি সর্বশান্ত হয়েছেন। সূদে কারবারীর টাকা পরিশোধের জন্য তিনি বাড়িটাও বিক্রি করেছেন,এখন তিনি নি:স্ব।
করতকান্দি গ্রামের দাদন গ্রহিতা শাহজাহান আলী ও আলম প্রামানিক বলেন,তারা গ্রামের সমিতি থেকে আকাশ কট নামে নেওয়া সূদ-আসলের টাকা পরিশোধ করতে না পেরে স্বপরিবারে গ্রাম ছাড়া হয়েছেন।

শরৎনগর বাজারের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী আমজাদ হোসেন বলেন,ব্যবসায়ীক কারণে তিনি বাধ্য হয়ে চড়া সূদে পাঁচ লাখ টাকা দাদন নেন। তিনি আরো বলেন,এই টাকার মাসিক সূদ হিসাবে এক লাখ টাকার অনেকগুলো কিন্তি প্রদান করেছেন। তবে ব্যবসায় অনুরুপ লাভ না হওয়ায় তিনি আসল টাকা পরিশোধ করতে পারছেন না। ফলে এখন ব্যবসায় তিনি দেউলিয়া হয়ে গেছেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের উপ-মহাব্যবস্থাপক আতাউর রহমান বলেন,এ ধরণের সূদের কারবার ফৌজদারী অপরাধের শামিল। স্থানীয় প্রশাসন তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে পারেন।

ভাঙ্গুড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাজমুন নাহার বলেন,কাজটি নি:সন্দেহে অবৈধ তবে তথ্য প্রমাণসহ অভিযোগ পেলে চড়া সূদের কারবারীদের বিরুদ্ধে তিনি আইনগত ব্যবস্থা নিবেন।।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
২০২5© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host