1. admin@shwapnoprotidin.com : admin : ddn newsbd
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ০২:৪৮ অপরাহ্ন

মাছ শিকারের প্রস্তুতিতে জেলেরা, মধ্যরাতে উঠছে ইলিশ ধরার নিষেধাজ্ঞা

প্রতিবেদকের নাম :
  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৬৮ সময় দর্শন

স্বপ্ন প্রতিদিন ডেস্ক

২ মাস নিষেধাজ্ঞার পর আজ বৃহস্পতিবার মধ্যরাত থেকে নদীতে মাছ শিকারের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন জেলেরা। নৌকা, জাল মেরামত করে পদ্মা ও মেঘনা নদীতে যাওয়ার জন্য তারা প্রস্তুত। ঘাটগুলোতে বেড়েছে ব্যস্ততা। ২ মাসের নিষেধাজ্ঞার কারণে এবার গত বছরের চেয়ে মাছের উৎপাদন বাড়ার আশা মৎস্য কর্মকর্তাদের। মা ইলিশ রক্ষায় নদ-নদীতে মাছ ধরায় ১ মার্চ থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা দেয় সরকার। ২ মাস পর মাছ ধরতে এরই মধ্যে সব প্রস্তুতি শেষ করেছেন চাঁদপুরের প্রায় ৫০ হাজার জেলে। ঋণের বোঝা মাথায় নিয়েই জাল ও নৌকা মেরামত করে পদ্মা-মেঘনায় যাচ্ছেন জেলেরা। ইলিশ ধরা পড়লেই ঋণমুক্ত হয়ে লাভের আশা তাদের। নিষেধাজ্ঞার সময় প্রথম মাসে ঢিলেঢালা অভিযান হলেও শেষ মাসে কড়াকড়ি ছিল, বলছেন তারা।

এক জেলে বলেন, প্রথম এক মাস অভিযান ঢিলেঢালা হয়েছে। তবে শেষের এক মাস খুব কড়াকড়ি গেছে। আরেক জেলে বলেন, ‘আজ রাত থেকে নিষেধাজ্ঞা শেষ। তাই আমরা কাল থেকে ইলিশ শিকারের প্রস্তুতি নিচ্ছি।’

২ মাসের নিষেধাজ্ঞার সময় চাঁদপুরে ৫ শতাধিক অভিযান, ৫০টির অধিক মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয় ও বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয় ২ শতাধিক জেলেকে। অভিযানের ফলে অসাধু জেলেরা নদীতে নামতে না পারায় ইলিশের উৎপাদন বাড়বে বলে দাবি মৎস্য বিভাগের।


চাঁদপুর জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা আশা করছি এই জাটকা থেকে ইলিশ হবে, এ জন্য ইলিশের উৎপাদন বাড়বে। জেলেরাও বলছেন, অন্যান্যবারের তুলনায় এইবার বেশি অভিযান হয়েছে, তাই তারা মাছ শিকারের নামতে পারেননি। এর ফলে এইবার মাছ ভালো পাওয়া যাবে বলে আশা করছি।’

লক্ষ্মীপুরে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে অর্ধশতাধিক জেলেকে জেল-জরিমানা ও ২০ লাখ মিটার কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়। নিষেধাজ্ঞার সময় জেলেদের ৪০ কেজি হারে দেয়া হয় ৪ হাজার ৬৯০ টন চাল। তবে না পাওয়ার অভিযোগও করেছেন অনেকে।

এক জেলে অভিযোগ করে বলেন, ‘সরকার আমাদের চাল দেয়, কিন্তু কেউ পায় কেউ পায় না। আমরা জেলেরা কষ্টেই থাকি।’

এবার অভিযান সফল হওয়ায় আগের চেয়ে মাছের উৎপাদন বাড়বে, বলছেন মৎস্য কর্মকর্তা।

লক্ষ্মীপুর জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. দেলোয়ার হোসাইন বলেন, ‘জেলেরা যাতে অতিমানবেতর জীবন-যাপন না করেন, সে জন্য সরকার থেকে কিছু প্রণোদনা দেওয়া হয়। আমাদের নিবন্ধিত জেলের সংখ্যা প্রায় ৫০ হাজার।’

এ বছর ২৮ হাজার ৫০০ টন ইলিশ পাওয়ার লক্ষ্য মৎস্য বিভাগের।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
২০২5© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host