1. admin@shwapnoprotidin.com : admin : ddn newsbd
সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৩৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
জনগণের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত রাজপথে থাকব: জামায়াত আমির জাতিসংঘ অধিবেশনের আগে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের সম্ভাবনা নেই: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশিদের ভিসা আবেদনে সতর্ক থাকার আহ্বান মার্কিন দূতাবাসের কারাবন্দিদের জন্য ভিডিওকলের সুবিধা, স্বজনদের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ বাল্যবিবাহ নির্মূলে ২৭ নভেম্বরকে আন্তর্জাতিক দিবস ঘোষণা করল জাতিসংঘ গাজার ধ্বংসস্তূপে মিলল একই পরিবারের ৫৫ সদস্যের মরদেহ বিকল্প জ্বালানি উৎসের সন্ধানে বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নতুন লুকে সিয়াম, ‘আন্ধার’ সিনেমার টিজার প্রকাশের পর শুরু আলোচনা বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত,তেরখাদা নতুন বাসস্ট্যান্ড চত্বরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয় মনোহরদীতে,অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীর বাল্যবিয়ে বন্ধ করল প্রশাসন। 

লোকসানের ফাঁদে মধ্যপাড়া পাথর খনি, উৎপাদন বন্ধের শঙ্কা

প্রতিবেদকের নাম :
  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৮৫ সময় দর্শন

মাফিকুল ইসলাম, পার্বতীপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:
দেশের একমাত্র ভূগর্ভস্থ পাথর খনি মধ্যপাড়া গ্রানাইট মাইনিং কোম্পানি লিমিটেড (এমজিএমসিএল) বর্তমানে চরম লোকসানের মুখে পড়েছে। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের দুর্বল পরিকল্পনা, বিপণন সংকট এবং বৈশ্বিক বাজারের প্রভাব মিলিয়ে খনিটির টেকসই পরিচালনা এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
দিনাজপুরের পার্বতীপুরে অবস্থিত এই খনি গত দুই অর্থবছরে মোট ৪৪ কোটি টাকা লোকসান গুনেছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, ডলারের মূল্যবৃদ্ধি এবং বিস্ফোরক উপাদান অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট আমদানিতে নতুন করে উচ্চ শুল্ক আরোপ উৎপাদন ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে দিয়েছে।
খনি সূত্র জানায়, উৎপাদন অব্যাহত রাখতে ২০২৪ সালের ডিসেম্বর থেকে প্রতি টনে গড়ে প্রায় ৫০০ টাকা লোকসানে পাথর বিক্রি করা হচ্ছে। তবুও বাজারে চাহিদা না থাকায় খনির ইয়ার্ডে প্রায় ১৫ লাখ টন পাথর অবিক্রীত অবস্থায় জমে আছে। এর মধ্যে রেলপথ নির্মাণে ব্যবহৃত ‘ব্লাস্ট’ এবং নদী শাসনে ব্যবহৃত ‘বোল্ডার’ পাথরের পরিমাণই সবচেয়ে বেশি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, আমদানিকৃত পাথরের তুলনায় দেশীয় এই খনির উৎপাদন খরচ বেশি হওয়ায় প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ছে মধ্যপাড়া। উপরন্তু, রেলওয়ে ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকল্পগুলোতে দেশীয় পাথরের ব্যবহার কমে যাওয়ায় বিপুল মজুত তৈরি হয়েছে।
খনি কর্তৃপক্ষ বলছে, উৎপাদন সচল রাখতে হলে বিস্ফোরক আমদানিতে আরোপিত শুল্ক প্রত্যাহার, পাথর আমদানিতে শুল্ক বৃদ্ধি এবং মধ্যপাড়ার পাথরের ট্যারিফ ভ্যালু পুনঃনির্ধারণ জরুরি। অন্যথায় স্থান সংকটের কারণে যেকোনো সময় উৎপাদন বন্ধ হয়ে যেতে পারে, যা প্রায় ৮০০ শ্রমিকের কর্মসংস্থান ঝুঁকিতে ফেলবে।
উল্লেখ্য, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান-এর স্বপ্নের এই প্রকল্পটি ১৯৯৪ সালে খালেদা জিয়া উদ্বোধন করেন এবং ২০০৭ সালে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হয়। একসময় লাভজনক এই খনি টানা পাঁচ বছর প্রায় ১০০ কোটি টাকা মুনাফা করলেও বর্তমানে তা টিকে থাকার লড়াইয়ে নেমেছে।
সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা করছেন, দ্রুত কার্যকর নীতি সহায়তা না পেলে দেশের গুরুত্বপূর্ণ এই খনি প্রকল্পটি বড় ধরনের সংকটে পড়তে পারে।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
২০২5© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host