1. admin@shwapnoprotidin.com : admin : ddn newsbd
বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জনগণের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত রাজপথে থাকব: জামায়াত আমির জাতিসংঘ অধিবেশনের আগে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের সম্ভাবনা নেই: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশিদের ভিসা আবেদনে সতর্ক থাকার আহ্বান মার্কিন দূতাবাসের কারাবন্দিদের জন্য ভিডিওকলের সুবিধা, স্বজনদের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ বাল্যবিবাহ নির্মূলে ২৭ নভেম্বরকে আন্তর্জাতিক দিবস ঘোষণা করল জাতিসংঘ গাজার ধ্বংসস্তূপে মিলল একই পরিবারের ৫৫ সদস্যের মরদেহ বিকল্প জ্বালানি উৎসের সন্ধানে বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নতুন লুকে সিয়াম, ‘আন্ধার’ সিনেমার টিজার প্রকাশের পর শুরু আলোচনা বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত,তেরখাদা নতুন বাসস্ট্যান্ড চত্বরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয় মনোহরদীতে,অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীর বাল্যবিয়ে বন্ধ করল প্রশাসন। 

সারাদেশে চালু হচ্ছে সরকারি ফার্মেসি

ডিডিএন ডেস্ক:
  • আপডেটের সময় : বুধবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৫
  • ২২৮ সময় দর্শন

জনগণের জন্য মানসম্পন্ন ওষুধ সহজলভ্য ও সাশ্রয়ী করতে দেশের সরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিক চত্বরে প্রথমবারের মতো চালু হতে যাচ্ছে সরকারি ফার্মেসি। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. সায়েদুর রহমান জানান, এই উদ্যোগের মাধ্যমে বহুল ব্যবহৃত ২৫০ ধরনের ওষুধ পাওয়া যাবে বাজার মূল্যের মাত্র এক-তৃতীয়াংশ দামে।

বাংলাদেশে প্রতি বছর বহু মানুষ ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপসহ দীর্ঘমেয়াদি অসংক্রামক রোগে আক্রান্ত হন। এসব রোগের চিকিৎসায় ব্যয় হয় উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ, যার সিংহভাগই খরচ হয় ওষুধ কেনায়। এক জরিপে দেখা গেছে, একজন রোগীর চিকিৎসা ব্যয়ের প্রায় ৬৪ শতাংশই ওষুধের পেছনে যায়। ফলে, প্রতিবছর হাজার হাজার মানুষ চিকিৎসা ব্যয় মেটাতে গিয়ে দারিদ্র্যের মুখে পড়ে।

সরকারের এই নতুন উদ্যোগে ২৫০টি প্রয়োজনীয় ওষুধ অন্তর্ভুক্ত থাকবে, যেগুলো দিয়েই প্রায় ৮৫ শতাংশ সাধারণ রোগের চিকিৎসা সম্ভব। এতে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষ সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবেন বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

অধ্যাপক ডা. সায়েদুর রহমান বলেন, “সরকারি হাসপাতালে ল্যাব ও প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা থাকলেও এতদিন কোনো ওষুধ সরবরাহ বা ফার্মাসিউটিক্যাল সার্ভিস ছিল না। এবার এই ঘাটতি পূরণেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।”

তিনি আরও জানান, দেশের প্রতিটি সরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে ফার্মেসি স্থাপন করা হবে। এসব ফার্মেসি থেকে উচ্চমানের ওষুধ সর্বসাধারণের জন্য সহজে ও স্বল্পমূল্যে পাওয়া যাবে।

সরকারি ওষুধ সরবরাহ ব্যবস্থায় অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হলো—ওষুধ চুরি ও অপব্যবহার। এ সমস্যা সমাধানে পুরো প্রক্রিয়া ডিজিটালাইজড করা হবে। ওষুধের ক্রয়, সংরক্ষণ এবং বিতরণের প্রতিটি ধাপে থাকবে প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি।

সরকারি ওষুধ উৎপাদন ও সরবরাহ প্রতিষ্ঠান ইডিসিএল (Essential Drugs Company Limited) প্রতিবছর প্রায় ১৩০০ কোটি টাকার ওষুধ সরবরাহ করে থাকে। নতুন উদ্যোগের আওতায় এই বাজেট বাড়িয়ে ওষুধের চাহিদা অনুযায়ী উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধিরও পরিকল্পনা রয়েছে।

স্বাস্থ্যখাতে এমন একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়ে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, “সরকারি ফার্মেসি চালু হলে চিকিৎসা হবে আরও সুলভ, আরও কার্যকর।”

মানুষের মৌলিক অধিকার—স্বাস্থ্যসেবা—যেন কোনোভাবেই ব্যয়ের ভারে ভারাক্রান্ত না হয়, সেটাই সরকারের মূল লক্ষ্য।

এ উদ্যোগ সফল হলে বাংলাদেশে সরকারি পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণের নতুন দ্বার উন্মোচিত হবে, যা দেশের সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য-সুরক্ষায় ইতিবাচক ও স্থায়ী পরিবর্তন নিয়ে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সূত্র: এফএনএস

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
২০২5© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host