1. admin@shwapnoprotidin.com : শাহীন স্বাধীন : শাহীন স্বাধীন শাহীন স্বাধীন
  2. shwapnotvbd@gmail.com : স্বপ্ন প্রতিদিন : স্বপ্ন প্রতিদিন প্রতিবেদন
  3. saif@gmail.com : এস. এম. সাইফ : এস. এম. সাইফ
হতদরিদ্রের ৫৭৮ টন চাল লোপাট করে বিভিন্ন নামিদামি ব্র্যান্ডের মোড়কে বাজারজাত, ৩ কোটি টাকার চাল জব্দ: গোডাউন সিলগালা - স্বপ্ন প্রতিদিন
বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:১৫ পূর্বাহ্ন

হতদরিদ্রের ৫৭৮ টন চাল লোপাট করে বিভিন্ন নামিদামি ব্র্যান্ডের মোড়কে বাজারজাত, ৩ কোটি টাকার চাল জব্দ: গোডাউন সিলগালা

প্রতিবেদকের নামঃ শাহীন স্বাধীন
  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬
  • ৭১ সময় দর্শন
স্বপ্ন প্রতিদিন ডেস্ক

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে হতদরিদ্রদের জন্য সরকারি খাদ্য সহায়তা কর্মসূচির চাল আত্মসাৎ করে বিভিন্ন নামিদামি ব্র্যান্ডের মোড়কে বাজারজাত করার সময় যৌথ অভিযানে ৫৭৮ টন চাল জব্দ করা হয়েছে, যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৩ কোটি টাকা। একইসঙ্গে একজনকে আটক করা হয়েছে এবং গোডাউনটি সিলগালা করে দেওয়া হয়েছে। ১৩ই মে, বুধবার দুপুরে উপজেলার কদমরসুল এলাকায় অবস্থিত সালেহ কার্পেট নামক একটি বন্ধ কারখানার গোডাউনে জেলা প্রশাসন, র‍্যাব ও খাদ্য বিভাগ যৌথভাবে এই অভিযান পরিচালনা করে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরেই একটি সংঘবদ্ধ চক্র এই অপকর্ম চালিয়ে আসছিল। সরকারের বিভিন্ন খাদ্য সহায়তা কর্মসূচির আওতায় দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মধ্যে বিতরণের জন্য বরাদ্দ করা চাল অসাধু ডিলার ও চোরাকারবারিদের মাধ্যমে গোপনে এই গুদামে এনে মজুদ করা হতো। এরপর শ্রমিক দিয়ে সেই চাল বিভিন্ন পরিচিত ব্র্যান্ডের বস্তায় ভরে পাইকারি ও খুচরা বাজারে বিক্রি করা হতো। গোপন সূত্রে এ খবর পেয়ে সত্যতা নিশ্চিত করার পর কর্তৃপক্ষ এই অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে গোডাউনে সরকারি খাদ্য কর্মসূচির প্রচুর চালের বস্তা এবং বিপুল পরিমাণ চাল বিভিন্ন নামিদামি কোম্পানির মোড়কে ভরা অবস্থায় পাওয়া যায়। অভিযানের নেতৃত্বে থাকা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আলমগীর হোসেন বলেন, সরকারি খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল সাধারণ মানুষের ন্যায্য অধিকার। অথচ একটি অসাধু চক্র সেই চাল আত্মসাৎ করে ভিন্ন ব্র্যান্ডের নামে বাজারজাত করছে। তিনি এটিকে শুধু অর্থনৈতিক অপরাধ নয়, সাধারণ মানুষের খাদ্যনিরাপত্তার ওপর সরাসরি আঘাত বলে উল্লেখ করেন। তিনি আরও জানান, গুদাম মালিকের কাছে সরকারি চাল সংরক্ষণ বা বাজারজাত করার কোনো বৈধ লাইসেন্স পাওয়া যায়নি। আটক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং তদন্তের মাধ্যমে সরকারি খাদ্যগুদাম, ডিলার ও পরিবহন ব্যবস্থার সঙ্গে জড়িত কারা এই চক্রকে সহযোগিতা করেছে তা খুঁজে বের করা হবে। র‍্যাবের কোম্পানি কমান্ডার লে. কমান্ডার তাওহীদুল ইসলাম জানান, প্রাথমিকভাবে একটি গুদামের সন্ধান পাওয়া গেছে যেখানে সরকারি চাল মজুদ রাখা হয়েছিল। চক্রের মূল হোতাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। অভিযান শেষে পুরো গুদাম সিলগালা করে দেওয়া হয় এবং জব্দ করা চাল সরকারি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান।

কর্তৃপক্ষের ধারণা, দীর্ঘদিন ধরেই এই গুদাম থেকে শত শত টন সরকারি চাল চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন পাইকারি আড়ত ও খুচরা বাজারে সরবরাহ করা হয়েছে। কোন কোন ব্যবসায়ী বা প্রতিষ্ঠান এই চাল কিনেছে ও বাজারজাত করেছে, সেটিও তদন্তের আওতায় আনা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

Author

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
২০২5© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host