1. admin@shwapnoprotidin.com : শাহীন স্বাধীন : শাহীন স্বাধীন শাহীন স্বাধীন
  2. shwapnotvbd@gmail.com : স্বপ্ন প্রতিদিন : স্বপ্ন প্রতিদিন প্রতিবেদন
  3. saif@gmail.com : এস. এম. সাইফ : এস. এম. সাইফ
শান্তির এই নোবেল বিশ্বের সব সাংবাদিকের : মারিয়া রেসা - স্বপ্ন প্রতিদিন
মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:১৫ অপরাহ্ন

শান্তির এই নোবেল বিশ্বের সব সাংবাদিকের : মারিয়া রেসা

প্রতিবেদকের নামঃ শাহীন স্বাধীন
  • আপডেটের সময় : রবিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২১
  • ৪৩৩ সময় দর্শন
শান্তির এই নোবেল বিশ্বের সব সাংবাদিকের : মারিয়া রেসা

অনলাইন ডেস্ক

শান্তিতে নোবেলজয়ী ফিলিপাইনের সাংবাদিক মারিয়া রেসা এই পুরস্কার বিশ্বের সব সাংবাদিককে উৎসর্গ করেছেন। আজ শনিবার একথা বলেন সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার লড়াই চালিয়ে যাওয়া এই সাংবাদিক।

ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট রদ্রিগো দুতার্তের কড়া সমালোচক মারিয়া রেসা ফরাসি বার্তাসংস্থা এএফপিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, প্রকৃত অর্থে এই পুরস্কার বিশ্বজুড়ে কাজ করা সব সাংবাদিকের। আমাদের অনেক ফ্রন্ট থেকে সাহায্য দরকার। আজকে সাংবাদিক হওয়া অনেক বেশি কঠিন এবং বিপজ্জনক।

গতকাল শুক্রবার ফিলিপাইনের সংবাদমাধ্যম র‌্যাপলারের সহ-প্রতিষ্ঠাতা মারিয়া রেসা এবং রাশিয়ার সাংবাদিক দিমিত্রি মুরাতভকে চলতি বছরের নোবেল শান্তি পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। নিয়ন্ত্রকদের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে গণমাধ্যমে মত প্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষার প্রচেষ্টা জারি রাখায় চলতি বছর শান্তির নোবেল পেয়েছেন ফিলিপাইন ও রাশিয়ার এ দুই সাংবাদিক।

সাংবাদিকদের জন্য বিশ্বে সবচেয়ে বিপজ্জনক স্থান হিসেবে পরিচিত ফিলিপাইনের মতো দেশে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিতে কাজ করে যাওয়া এই সাংবাদিকের নোবেলপ্রাপ্তিকে ‌‘বিজয়’ হিসেবে প্রশংসা করেছেন দেশটির বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠন ও মানবাধিকার কর্মীরা।

২০১৬ সালে ফিলিপাইনের ক্ষমতায় দুতার্তে আসার পর রেসা এবং তার সংবাদমাধ্যম র‌্যাপলারকে ধারাবাহিক ফৌজদারি অপরাধের অভিযোগ, তদন্তের মুখোমুখি হওয়া ছাড়াও অনলাইনে আক্রমণের শিকার হতে হয়। প্রেসিডেন্ট দুতার্তে বরাবরই র‌্যাপলারকে ‘ভুয়া সংবাদমাধ্যম’ বলেছেন এবং রেসাকে নিয়ে দেশটিতে অনলাইনে মানহানিকর বার্তা ছড়ানো হয়।

৫৮ বছর বয়সী ফিলিপিনো এই সাংবাদিক বলেছেন, এই পুরস্কার তার নিজের এবং ফিলিপাইনের অন্যান্য সাংবাদিকদের শারীরিক আক্রমণ ও অনলাইন হুমকির বিরুদ্ধে একটি সুরক্ষা হিসেবে কাজ করবে বলে তিনি আশা করছেন। ‘তাদের বিরুদ্ধে আমরা’ ধারণাটি কখনোই সাংবাদিকদের সৃষ্টি ছিল না। এটি ছিল ক্ষমতায় থাকা মানুষদের সৃষ্টি; যারা সমাজকে বিভক্ত করে এমন এক ধরনের নেতৃত্ব ব্যবহার করতে চেয়েছিলেন।

Author

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
২০২5© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host