1. admin@shwapnoprotidin.com : শাহীন স্বাধীন : শাহীন স্বাধীন শাহীন স্বাধীন
  2. shwapnotvbd@gmail.com : স্বপ্ন প্রতিদিন : স্বপ্ন প্রতিদিন প্রতিবেদন
  3. saif@gmail.com : এস. এম. সাইফ : এস. এম. সাইফ
ভাঙ্গুড়ায় প্রতিমা বিসর্জনে প্রশাসনের সঙ্গে আওয়ামী লীগ নেতার চা পান, সমালোচনার ঝড়  - স্বপ্ন প্রতিদিন
মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৩৪ অপরাহ্ন

ভাঙ্গুড়ায় প্রতিমা বিসর্জনে প্রশাসনের সঙ্গে আওয়ামী লীগ নেতার চা পান, সমালোচনার ঝড় 

Reporter Image
মো. মনিরুজ্জামান ফারুক
  • আপডেটের সময় : রবিবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৪
  • ৫৯৫ সময় দর্শন
পাবনার ভাঙ্গুড়ায় প্রতিমা বিসর্জনের অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগ নেতা বাকি বিল্লাহ’র সঙ্গে ইউএনও নাজমুন নাহার এবং এসিল্যান্ড তাসমীয়া আক্তার রোজীর  চা পানের ছবি ভাইরাল হয়েছে। বাকি বিল্লাহ ভাঙ্গুড়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও বর্তমান জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য। এছাড়া তিনি ভাঙ্গুড়া পৌরসভার মেয়র এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন। আজ (১৩ অক্টোবর) রবিবার বিকেলে পৌরশহরের বড়াল ফুটব্রীজের ওপরে স্থাপিত  পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে এই ঘটনা ঘটে।
এদিকে আওয়ামী লীগ নেতার সঙ্গে উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের উপস্থিতির ঘটনাটি উপজেলা জুড়ে তীব্র সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। বিএনপি নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে ইউএনও এবং এসিল্যান্ডের অপসারণ দাবি করেছেন। নেতৃবৃন্দ এই ঘটনার তীব্র সমালোচনা করে তাদের ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন।ভাইরাল হওয়া ছবিতে দেখা যায়, ইউএনও নাজমুন নাহার, এসিল্যান্ড তাসমীয়া আক্তার রোজী ও আওয়ামী লীগ নেতা বাকি বিল্লাহ পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে পাশাপাশি চেয়ারে বসে চা পান করছেন।
উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক হুমায়ুন কবির বলেন, আওয়ামী লীগ নেতার সঙ্গে  ইউএনও এবং এসিল্যান্ডের শারদীয় দুর্গোৎসব পালন মেনে নেওয়া যায় না। এমন প্রশাসন জনগণ মানবে না। তিনি প্রশাসনের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
উপজেলা কৃষকদলের আহ্বায়ক আখিরুজ্জামান মাসুম বলেন, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের সকল নেতাকর্মীকে দেশের জনগণ প্রত্যাখ্যান করেছে। প্রতিমা বিসর্জন অনুষ্ঠান পর্যবেক্ষণে প্রশাসনের কর্মকর্তাদের পাশে আওয়ামীলীগ নেতার উপস্থিতির বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।
এ বিষয়ে এসিল্যান্ড তাসমীয়া আক্তার রোজী বলেন, ফাঁকা চেয়ার থাকায় তিনি সেখানে গিয়ে হঠাৎ করেই আমাদের পাশে বসে পড়েন। তাকে তো আর তাড়িয়ে দিতে পারি না। আবার প্রতিমা বিসর্জন শেষ না করে চলেও আসতে পারি না। আমরা আসলে পরিস্থিতির শিকার।
ইউএনও  নাজমুন নাহার বলেন,এটা উপজেলা প্রশাসনের কোন অনুষ্ঠান ছিল না। আমি তাকে আমন্ত্রণও করিনি। এটা একটা সার্বজনীন উৎসব। প্রতিমা বিসর্জনের সময় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিশ্চিত করতে আমরা উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা একটি উন্মুক্ত স্থানে বসে পর্যবেক্ষণ করছিলাম।সেখানে শত শত মানুষ উপস্থিত  ছিলেন। সেখানকার একটা ফাঁকা চেয়ারে হঠাৎ তিনি  গিয়ে বসে পড়েন।

Author

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
২০২5© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host