1. admin@shwapnoprotidin.com : শাহীন স্বাধীন : শাহীন স্বাধীন শাহীন স্বাধীন
  2. shwapnotvbd@gmail.com : স্বপ্ন প্রতিদিন : স্বপ্ন প্রতিদিন প্রতিবেদন
  3. saif@gmail.com : এস. এম. সাইফ : এস. এম. সাইফ
বিশ্বকাপের আগেই দল প্রস্তুত করতে চান বাশার - স্বপ্ন প্রতিদিন
সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:১৯ অপরাহ্ন

বিশ্বকাপের আগেই দল প্রস্তুত করতে চান বাশার

প্রতিবেদকের নামঃ শাহীন স্বাধীন
  • আপডেটের সময় : রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৯০ সময় দর্শন

আসন্ন নিউজিল্যান্ড সিরিজের প্রথম দুই ওয়ানডের জন্য গতকাল মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে একটি শক্তিশালী ও অপরিবর্তিত দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার সংবাদ সম্মেলনে জানান, সবশেষ পাকিস্তান সিরিজের দলটির ওপরই তারা পূর্ণ আস্থা রাখছেন। মূলত আসন্ন মেগা আসরের প্রস্তুতি এবং জয়ের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দল নির্বাচনে অহেতুক পরীক্ষা-নিরীক্ষার চেয়ে ম্যাচ জয়কেই সবসময় সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে নতুন এই নির্বাচক কমিটি। বিশ্বকাপের আগে হঠাৎ কোনো বড় রদবদল করতে একেবারেই রাজি নন তারা। দলের কম্বিনেশন ঠিক করতে আগামী ছয় মাসকেই প্রস্তুতির আদর্শ সময় হিসেবে দেখছেন নির্বাচকরা। এই বিষয়ে নিজেদের কঠোর অবস্থানের কথা খুব স্পষ্ট করে বাশার বলেন, ‘বিশ্বকাপের আগে আমরা কোনো পরীক্ষা-নিরীক্ষার মধ্যে যাব না। যদি কাউকে দেখতে হয় আমরা আগামী ছয় মাসের মধ্যে দেখে নেব। ইনজুরির মতো ভিন্ন কারণ ছাড়া বিশ্বকাপের ঠিক আগে নতুন কাউকে দেখতে চাই না। বাংলাদেশ যখন খেলবে আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার থাকে ম্যাচ জেতা। যে দলটা করলে আমরা জিততে পারবো, আমরা সেটাই বানাব। জয়টাই আমাদের প্রথম অপশন। অবশ্যই আমরা বিশ্বকাপ নিয়ে চিন্তাভাবনা করেই এই সিরিজগুলো খেলছি।’ দলে সুযোগ পাওয়া ক্রিকেটারদের নিজেদের মেলে ধরার জন্য পর্যাপ্ত সময় দিতে চায় ম্যানেজমেন্ট। বিশেষ করে ওপেনিং পজিশন নিয়ে অনেক দিন ধরেই নানা যাচাই চলছে।

মোহাম্মদ সাইফ হাসানকে গত সিরিজে সুযোগ দেওয়া হলেও তিনি খুব বেশি ম্যাচ খেলার সুযোগ পাননি। মাত্র কয়েকটি ম্যাচ দিয়ে একজন খেলোয়াড়ের আসল সামর্থ্য বিচার করা সম্ভব নয় বলে মনে করে নির্বাচক কমিটি। তাই এখনই নতুন কাউকে এনে আবার শুরু থেকে যাচাই করার পক্ষে নন তারা। পেস বোলিং বিভাগ নিয়েও নির্বাচকদের পরিষ্কার পরিকল্পনা রয়েছে। পেসারদের ক্ষেত্রে ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্টকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। কারণ টানা ম্যাচ খেললে পেসারদের ইনজুরির ঝুঁকি অনেক বেড়ে যায়। তাই ঘুরিয়ে ফিরিয়ে খেলানোর একটি সুস্পষ্ট নীতি গ্রহণ করেছে দল। এ বিষয়ে বাশার বলেন, ‘আমাদের নীতি হচ্ছে, যখন কেউ দলে আসবে তাকে পর্যাপ্ত সুযোগ দিতে হবে। পেস বোলিং বিভাগে আমাদের অনেক বিকল্প আছে। সেখানে রোটেশন করলে আমরা খুব একটা কিছু হারাচ্ছি না। ইনজুরি ব্যবস্থাপনার জন্য আমরা পেসারদের ঘুরিয়ে খেলাব। তবে টপ অর্ডার এবং মিডল অর্ডারে আমাদের স্থিরতা দরকার।’ মেহেদী হাসান মিরাজকে অধিনায়ক ও নাজমুল হোসেন শান্তকে ডেপুটি করেই এই ফরম্যাটের পথচলা অব্যাহত রাখছে বোর্ড। নেতৃত্ব নিয়ে দলের ভেতরের সব গুঞ্জন উড়িয়ে দিয়েছেন নির্বাচকরা। বোর্ড নির্ধারিত অধিনায়কের সঙ্গেই তারা নিয়মিত আলোচনা করে সব সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করে থাকেন। দলের অন্য সিনিয়র খেলোয়াড়দের মতামতকেও সমান গুরুত্ব দেওয়া হয়।

খেলোয়াড়দের সাথে যোগাযোগের ঘাটতি থাকার যে অভিযোগ মাঝে মাঝে ওঠে, তা সম্পূর্ণ উড়িয়ে দিয়েছেন এই সাবেক অধিনায়ক। স্কোয়াড থেকে কোনো ক্রিকেটার বাদ পড়লে তাকে উপযুক্ত কারণ ব্যাখ্যা করার একটি আধুনিক সংস্কৃতি চালু করতে চাইছে বর্তমান কমিটি। এতে করে খেলোয়াড়রা নিজেদের ভুলত্রুটি বুঝতে পারেন এবং ঘরোয়া ক্রিকেট বা লীগ পর্যায়ে খেলে নিজেদের ঘাটতিগুলো শুধরে নিতে পারেন। যোগাযোগের কোনো অভাব নেই উল্লেখ করে বাশার দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, ‘অধিনায়কের সাথে তো আমরা আলাপ করেছি। ডাজন্ট মিন যে সবসময় আমরা একমত হবো, এটা খুব স্বাভাবিক। আমরা সবার সাথে আলাপ করে নিয়েছি। কাউকে বাদ দিতে হলে আমার নিজের কাছে ক্লিয়ার হতে হবে কেন বাদ দিব। যোগাযোগ ঘাটতি নেই।’ পাকিস্তান সিরিজের স্কোয়াডে সম্পূর্ণ অপরিবর্তিত থাকার বিষয়টি নিয়ে বেশ আলোচনা চলছে। কেন পুনরায় চেনা ছকেই হাঁটলেন নির্বাচকরা, তার একটি অত্যন্ত যৌক্তিক ব্যাখ্যা দিয়েছেন প্রধান নির্বাচক। মূলত ধারাবাহিকতা বজায় রাখা এবং স্কোয়াডে থাকা খেলোয়াড়দের পর্যাপ্ত সুযোগ দেওয়ার লক্ষ্যেই এমন সিদ্ধান্ত।

বাশার মনে করেন, একটি সফল সিরিজের পর দলে রদবদল হিতে বিপরীত হতে পারে। তাছাড়া আগের সিরিজে যারা বেঞ্চে ছিলেন, তাদেরও প্রমাণ করার যথেষ্ট সুযোগ দেওয়া প্রয়োজন। সংবাদ সম্মেলনে নিজের অবস্থানের পক্ষে জোর যুক্তি তুলে ধরে বাশার বলেন, ‘আমরা যখন দলটা দেখেছি, তখন মনে হয়েছে আমাদের শেষ সিরিজটা সফল ছিল। বাংলাদেশ ভালো ক্রিকেট খেলেছে। সেখানে কিছু খেলোয়াড় হয়তো একাদশে সুযোগ পায়নি। কিছু খেলোয়াড় নতুন এসেছে। আমরা ধারাবাহিকতায় বিশ্বাস করতে চাই, যার জন্য এই সিরিজে আমরা দলে কোনো পরিবর্তন করিনি।’

বাংলাদেশ স্কোয়াড: মেহেদী হাসান মিরাজ (অধিনায়ক), সৌম্য সরকার, সাইফ হাসান, তানজিদ হাসান, নাজমুল হোসেন, তাওহিদ হৃদয়, লিটন কুমার দাস, আফিফ হোসেন, মাহিদুল ইসলাম, রিশাদ হোসেন, তানভীর ইসলাম, মোস্তাফিজুর রহমান, তাসকিন আহমেদ, শরীফুল ইসলাম ও নাহিদ রানা।

Author

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
২০২5© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host