1. admin@shwapnoprotidin.com : শাহীন স্বাধীন : শাহীন স্বাধীন শাহীন স্বাধীন
  2. shwapnotvbd@gmail.com : স্বপ্ন প্রতিদিন : স্বপ্ন প্রতিদিন প্রতিবেদন
  3. saif@gmail.com : এস. এম. সাইফ : এস. এম. সাইফ
জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন ২৮ এপ্রিল - স্বপ্ন প্রতিদিন
সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:০১ অপরাহ্ন

জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন ২৮ এপ্রিল

ডিডিএন ডেস্ক
  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
  • ১৫১ সময় দর্শন

অব্যাহতি প্রাপ্ত সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য আগামী ২৮ এপ্রিল দিন ধার্য করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

বৃহস্পতিবার  প্রসিকিউশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মোহাম্মদ গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন ৩ সদস্যের বেঞ্চ এই বিষয়ে শুনানি শেষে আদেশ দেন।

আজ সকালে জিয়াউল আহসানসহ এই মামলার ৮ জন আসামিকে আদালতের হাজির করার পর ১১টা ২৬ মিনিটে শুনানি শুরু হয়।

চিফ প্রসিকিউটার মো. তাজুল ইসলাম বলেন, ‘বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে পরিদর্শন করে বিভিন্ন ধরনের ছাড়পত্র, সার্টিফিকেট এবং নিহত কিংবা আহতদের শরীর থেকে উদ্ধারকৃত বুলেটসহ নানা আলামত জব্দ করা হয়েছে। এছাড়া প্রসিকিউশনের হাতে আছে বিভিন্ন ধরনের ভিডিও যা ফরেন্সিক, যাচাই বাছাই করার কাজ চলছে এবং এরপর তা তদন্ত প্রতিবেদনে সম্পৃক্ত করা হবে। এই বিষয়ে বিস্তৃত তদন্ত চলা দরকার যা অত্যন্ত জটিল এবং সময় সাপেক্ষ হওয়ার কারণে এই সময়ের প্রয়োজন। ’

শুনানির এক পর্যায়ে জিয়াউলের আইনজীবী নাজনীন নাহার তাকে জাতিসংঘের প্রকাশিত প্রতিবেদনের একটি ফটোকপি এবং একটি আইনি বই সরবরাহ করার আবেদন জানালে এতে আপত্তি জানায় প্রসিকিউশন।

আইনজীবী নাজনীন নাহার বলেন, ‘আমার মক্কেলকে  আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য তার বিরুদ্ধে যে সব অভিযোগ হয়েছে তা জানা প্রয়োজন এবং আইন পড়ার অধিকার যেহেতু সবার আছে তাই এই বই তাকে দিলে কোন অসুবিধা নেই বলে আমি মনে করি। বই দুটির কোনটিই ক্ষতিকর নয়। গত সাত মাস ধরে জেল কর্তৃপক্ষ আমাকে এই বইগুলো নিতে কিংবা আমার মক্কেলকে সরবরাহ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। তাই আমি আজ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছি। এই বিষয়ে আমি আদালতের সুনির্দিষ্ট অর্ডার চাই।’

চিফ প্রসিকিউটার তাজুল ইসলাম এর বিরোধিতা করে বলেন, ‘তিনি সত্যিই জেলগেটে এই দুটো বইই নিতে চেয়েছেন কিনা এবং কারা কর্তৃপক্ষ ঠিক এই দুটো বইয়ের কারণেই তাকে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন কিনা সেটির কোন প্রমাণ নেই। সেই সঙ্গে জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে এখনো পর্যন্ত কোন চার্জ গঠিত হয়নি। সুতরাং আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ এখনো তৈরি হয়নি বলে আমরা মনে করি। তাই এই আবেদন মঞ্জুর করার কোন যুক্তি নেই।’

শুনানি শেষে আদালত সাবেক সেনা কর্মকর্তার এই আইনজীবীকে যথাযথ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ডাকযোগে কিংবা কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে বই দুটো তার মক্কেলকে প্রেরণ করার জন্য একটি আবেদন করতে বলেন এবং জানান এরপরও  যদি কারা কর্তৃপক্ষ এই বই দুটো তাকে সরবরাহ করতে অস্বীকৃতি জানায় তবে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দাখিল সাপেক্ষে আদালত এই বিষয়ে প্রয়োজনে লিখিত নির্দেশনা দিবে।

উল্লেখ্য, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পতনের পর গত বছর ১৫ আগস্ট মধ্যরাতে রাজধানীর খিলক্ষেত এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয় জিয়াউল আহসানকে।

অব্যাহতি পাওয়ার আগ পর্যন্ত জিয়াউল আহসান ২০২২ সাল থেকে ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টারের মহাপরিচালকের দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে গুম ও বিচার বহির্ভূত হত্যাসহ বেশ কয়েকটি মামলায় গ্রেফতার হয়ে তিনি কারাগারে আছেন।

সূত্র: বাসস

Author

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
২০২5© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host