1. admin@shwapnoprotidin.com : শাহীন স্বাধীন : শাহীন স্বাধীন শাহীন স্বাধীন
  2. shwapnotvbd@gmail.com : স্বপ্ন প্রতিদিন : স্বপ্ন প্রতিদিন প্রতিবেদন
  3. saif@gmail.com : এস. এম. সাইফ : এস. এম. সাইফ
চট্টগ্রামে সমুদ্রগামী হাজারো ট্রলার, লাইটার জাহাজ অলস বসে আছে, জ্বালানি সংকট - স্বপ্ন প্রতিদিন
সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৩৯ অপরাহ্ন

চট্টগ্রামে সমুদ্রগামী হাজারো ট্রলার, লাইটার জাহাজ অলস বসে আছে, জ্বালানি সংকট

প্রতিবেদকের নামঃ শাহীন স্বাধীন
  • আপডেটের সময় : সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৮১ সময় দর্শন

স্বপ্ন প্রতিদিন রিপোর্ট

চট্টগ্রামে ডিজেল সংকটের কারণে সমুদ্রে মাছ ধরার ট্রলার ও পণ্য পরিবহনে ব্যবহৃত লাইটার জাহাজগুলো বড় ধরনের সংকটে পড়েছে। জ্বালানি সরবরাহ কমে যাওয়ায় কর্ণফুলী নদীর তীরে শত শত মাছ ধরার ট্রলার ও লাইটার জাহাজ অলস বসে আছে।

এর প্রভাব পড়েছে দেশের অন্যতম বৃহৎ মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র চট্টগ্রামের ফিশারি ঘাটে। গত ৬ দিন ধরে ঘাটে মাছ আগের মতো আসছে না। সরবরাহ কমে যাওয়ায় বাজারে মাছের দামও বাড়তে শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। একই সঙ্গে রপ্তানি পণ্য ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিত বেসরকারি কনটেইনার ডিপোগুলোর কার্যক্রমেও এর প্রভাব পড়ছে।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তার দাবি, জ্বালানি সংকটের কারণে সাগরে মাছ ধরা ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ কমেছে। তবে জেলে, ট্রলার মালিক ও ব্যবসায়ীদের দাবি, বাস্তবে মাছ ধরা কমেছে অন্তত ৭০ শতাংশ। বেশিরভাগ ট্রলারই ঘাটে বসে আছে, হাতে গোনা কয়েকটি ট্রলার সাগরে যাচ্ছে।

লাইটার জাহাজ মালিকদের অভিযোগ, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই চট্টগ্রামের ডিপোগুলো থেকে প্রয়োজনীয় ডিজেল পাওয়া যাচ্ছে না। রাষ্ট্রীয় তেল সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকে চাহিদার তুলনায় খুব কম তেল দেওয়া হচ্ছে। ফলে পণ্য পরিবহন কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।

লাইটার জাহাজ মালিকদের সংগঠন দুই দফায় বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রীর কাছে চিঠি দিলেও এখন পর্যন্ত কোনও সমাধান হয়নি। ফলে জাহাজ ও ট্রলারগুলো অলস পড়ে আছে।

চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে বড় জাহাজ থেকে পণ্য খালাস করে দেশের বিভিন্ন অভ্যন্তরীণ নৌপথে পরিবহন করে লাইটার জাহাজ। প্রতিদিন গড়ে ৭০ থেকে ৮০টি লাইটার জাহাজ পরিচালনার জন্য প্রায় আড়াই লাখ লিটার ডিজেল প্রয়োজন হলেও বর্তমানে পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ৬০ থেকে ৭০ হাজার লিটার। ফলে নদীপথে পণ্য পরিবহন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

ডিজেল সংকটে বেসরকারি কনটেইনার ডিপোগুলোও সমস্যায় পড়েছে। এসব ডিপো পরিচালনায় প্রতিদিন ৬০ থেকে ৬৫ হাজার লিটার ডিজেল প্রয়োজন হলেও চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে না।

অন্যদিকে মাছ ধরার ট্রলার মালিকরা জানান, ছোট ট্রলারে ১৮শ থেকে ২ হাজার লিটার এবং বড় ট্রলারে ৩৫০০ থেকে ৪ হাজার লিটার ডিজেল নিয়ে সাগরে যেতে হয়। কিন্তু এখন প্রয়োজনীয় তেল না পাওয়ায় অনেক ট্রলার সাগরে যাচ্ছে না। কেউ কেউ কম তেল নিয়ে ঝুঁকি নিয়ে সাগরে গিয়ে কম সময় মাছ ধরে ফিরে আসছে।

এদিকে এপ্রিলের মাঝামাঝি থেকে শুরু হচ্ছে ৫৮ দিনের সামুদ্রিক মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা। জ্বালানি সংকট ও নিষেধাজ্ঞা দুই মিলিয়ে জেলে, শ্রমিক, আড়তদারসহ মৎস্য খাতের সঙ্গে জড়িত লাখো মানুষ চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছেন।

Author

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
২০২5© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host