1. admin@shwapnoprotidin.com : শাহীন স্বাধীন : শাহীন স্বাধীন শাহীন স্বাধীন
  2. shwapnotvbd@gmail.com : স্বপ্ন প্রতিদিন : স্বপ্ন প্রতিদিন প্রতিবেদন
  3. saif@gmail.com : এস. এম. সাইফ : এস. এম. সাইফ
কুমিল্লার চান্দিনায় ভিজিডির বস্তাভরা নষ্ট চাল বিতরণ - স্বপ্ন প্রতিদিন
বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:০৯ অপরাহ্ন

কুমিল্লার চান্দিনায় ভিজিডির বস্তাভরা নষ্ট চাল বিতরণ

প্রতিবেদকের নামঃ শাহীন স্বাধীন
  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২৬
  • ১২০ সময় দর্শন
সামাজিক নিরাপত্তামূলক কর্মসূচির (ভিজিডি) বস্তা ভর্তি চালে পোকা
অনলাইন ডেস্ক
কুমিল্লার চান্দিনায় ঈদ উপলক্ষে গ্রামীণ দারিদ্র্য ও দুস্থ নারীদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের জন্য সর্ববৃহৎ সামাজিক নিরাপত্তামূলক কর্মসূচির (ভিজিডি) বস্তাভর্তি নষ্ট চালে পোকা পাওয়া গেছে। ওই চাল দরিদ্রদের মাঝে বিতরণের পর সেগুলো বাড়ি থেকে আবার ইউনিয়ন পরিষদে ফেরত নিয়ে আসেন সুবিধাভোগীরা। উপজেলা খাদ্যগুদাম থেকে নষ্ট চাল সরবরাহ করার পর বৃষ্টির পানিকে দুষছেন খাদ্য কর্মকর্তা।

জানা যায়, ঈদকে সামনে রেখে সারা দেশের ন্যায় চান্দিনা উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে ভিজিডি কার্ডের সুবিধাভোগীদের মাঝে জনপ্রতি ৩০ কেজি করে চাল সরবরাহ করা হচ্ছে। গত সপ্তাহের শেষ দিকে উপজেলার বাতাঘাসী ইউনিয়নে ১০০ জন সুবিধাভোগীর জন্য ৩ মে. টন চাল সরবরাহ করে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কার্যালয়। সেই মোতাবেক চালও বিতরণ করেন বাতাঘাসী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান অ্যাড. সাদেকুর রহমান। সুবিধাভোগীরা ইউনিয়ন অফিস থেকে ৩০ কেজির বস্তাভর্তি চাল বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার পর বিপদে পড়েন অন্তত ১৬ জন সুবিধাভোগী। তাদের বস্তার পুরো চাল পচা ও পোকায় আক্রান্ত। সঙ্গে সঙ্গেই ওই চাল নিয়ে হাজির হন ইউনিয়ন অফিসে। কিন্তু সেই চাল তাৎক্ষণিক পরিবর্তন করে দেওয়ার সুযোগ ছিল না চেয়ারম্যানের।

বাতাঘাসী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান অ্যাড. সাদেকুর রহমান বলেন, ‘আমি চাল বিতরণ করে অফিসে বসার কিছুক্ষণ পর থেকে এক এক করে কার্ডধারী সুবিধাভোগীরা মাথায় করে চালের বস্তা নিয়ে আমার অফিসে আসে। তাদের কথা শুনে আমি বস্তা খুলে দেখি চালগুলো পচে কালচে হলুদ হয়ে আছে। আর সেগুলোতে ছোট-বড় পোকার অভাব নেই। এমন পরিস্থিতিতে তাৎক্ষনিকভাবে আমি উপজেলায় যোগাযোগ করি এবং সেই চালগুলো ইউনিয়ন অফিসে রেখে দেই। মূলত গুদাম থেকে আমাকে যে এক শ বস্তা চাল দেওয়া হয়েছে, তার মধ্যে ১৬টি বস্তার চাল নষ্ট। প্লাস্টিকের বস্তায় চালগুলো থাকায় বিতরণের সময় আমরাও দেখিনি।’

ইউনিয়ন পরিষদের একাধিক সদস্য অভিযোগ করে বলেন, ‘খাদ্য গুদামে নষ্ট চালের বস্তা থাকবে কিভাবে? গুদামের সঙ্গে জড়িত কিছু অসাধু ব্যক্তিদের যোগসাজসে এমন ঘটনা ঘটতে পারে।

সরেজমিনে খাদ্যগুদামের ৭ নম্বর গোডাউনে গিয়ে দেখা গেছে, ছাদের যে অংশটিতে চুইয়ে বৃষ্টির পানি পড়ার কথা বলা হচ্ছে সেই অংশে চালের কোনো বস্তাই ছিল না। এমনকি গত ৬ মাসেরও বেশি সময় যাবৎ বৃষ্টি হয়নি। বিষয়টি সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

Author

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
২০২5© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host