1. admin@shwapnoprotidin.com : শাহীন স্বাধীন : শাহীন স্বাধীন শাহীন স্বাধীন
  2. shwapnotvbd@gmail.com : স্বপ্ন প্রতিদিন : স্বপ্ন প্রতিদিন প্রতিবেদন
  3. saif@gmail.com : এস. এম. সাইফ : এস. এম. সাইফ
ইরানের বিরুদ্ধে ‘অপারেশন ইকোনমিক আউটকাস্ট’ ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের - স্বপ্ন প্রতিদিন
মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ১১:২৮ পূর্বাহ্ন

ইরানের বিরুদ্ধে ‘অপারেশন ইকোনমিক আউটকাস্ট’ ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের

প্রতিবেদকের নামঃ শাহীন স্বাধীন
  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬
  • ৩২ সময় দর্শন

Logo

ইরানের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক যুদ্ধাভিযান ‘অপারেশন ইকোনমিক আউটকাস্ট’ ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট গতকাল সোমবার এ অভিযানের ঘোষণা দিয়েছেন।

প্রায় এক সপ্তাহ ধরে আলোচনা, হুঁশিয়ারি-পাল্টা হুঁশিয়ারির পর এই বিশেষ অর্থনৈতিক অভিযান ঘোষণা করল যুক্তরাষ্ট্র। সোমবার ওয়াশিংটনে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ‘অপারেশন ইকোনমিক আউটকাস্ট’ ঘোষণার সময় স্কট বেসেন্ট বলেন, “আমাদের এ অভিযানে লক্ষ্য হলো তেহরানে ক্ষমতাসীন স্বৈরাচার সরকারের প্রতিটি অর্থনৈতিক লাইফলাইন কেটে দেওয়া। যতদিন পর্যন্ত তেহরান সম্পূর্ণ একা না হচ্ছে, ততদিন এ অভিযান চলবে।”

“আমরা আর ইরানি হুমকি সামাল দিতে চাই না; এটা শেষ করতে চাই। আর ইরানের বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক অর্থনৈতিক পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য যে শক্তি দরকার, তা যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতির আছে।”

শুধ তেল নয়, ইরানের বিমান চলাচল, জাহাজ চলাচল, প্রযুক্তি, স্বর্ণের খনি, ডিজিটার সম্পদ— অর্থাৎ তেহরানের প্রতিটি লাইফলাইন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন প্রশাসনের অভূতপূর্ব নিষেধাজ্ঞার শিকার হবে।”

সংবাদ সম্মেলনে বেসেন্ট জানান, ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক থাকার অভিযোগে ইতোমধ্যে গত কয়েক দিনে বিশ্বজুড়ে ৬০ জন ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও জাহাজের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

“ইরানের ক্ষমতাসীন শাসকগোষ্ঠীর অর্থনৈতিক শ্বাসরোধ করার নীতি গ্রহণ করেছি।”

‘মার্কিন নিষেধাজ্ঞার আওতার বাইরে কেউ নেই’

সোমবারের ভাষণে “ইরানের তেলকে অর্থে রূপান্তরিত করার বাস্তুতন্ত্রের সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের সবার ওপর পর্যায়ক্রমে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হবে। আমরা অপারেশন ইকোনমিক আউটকাস্ট চলমান থাকা অবস্থায় তেহরানের কোনো মিত্রকে ছাড় দেওয়া হবে না। যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধজ্ঞার আওতার বাইরে কেউ নেই। ”

“ট্রেজারি (অর্থ) মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা তেহরানের তেল চোরাচালান এবং নিষেধাজ্ঞা এড়ানোর জন্য ব্যবহৃত প্রতিটি কেন্দ্র, প্রতিটি সহায়তাকারী এবং প্রতিটি নেটওয়ার্কের মানচিত্র তৈরি করেছেন। আমরা এমন একটি শূন্য লিকেজ নীতির অনুসরণ করছি, যেখানে ইরানকে তার সক্ষমতা পুনর্গঠনের জন্য একটুও অবকাশ দেওয়া হবে না।”

“যারা যুক্তরাষ্ট্রের পাশে দাঁড়াবে, তারা আমাদের অংশীদারিত্বের সুফল ভোগ করবে। আর যারা পাশে থাকবে না, তারা একটি ক্ষয়িষ্ণু শাসনের পরিণামের অংশীদার হবে।”

উল্লেখ্য, প্রায় এক সপ্তাহ আগে, ১৯ আগস্ট ইরানের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক যুদ্ধের ঘোষণা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেদিন নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছিলেন, শিগগিরই ইরানের বিরুদ্ধে ‘এযাবৎকালের সবচেয়ে বিধ্বংসী অর্থনৈতিক অভিযান’ শুরু করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।

Author

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
২০২5© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host