1. admin@shwapnoprotidin.com : শাহীন স্বাধীন : শাহীন স্বাধীন শাহীন স্বাধীন
  2. shwapnotvbd@gmail.com : স্বপ্ন প্রতিদিন : স্বপ্ন প্রতিদিন প্রতিবেদন
  3. saif@gmail.com : এস. এম. সাইফ : এস. এম. সাইফ
আইডিয়াল কলেজে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের পদ দখলকে ঘিরে তৈরি হয়েছে প্রশাসনিক অস্থিরতা ও অচলাবস্থা  - স্বপ্ন প্রতিদিন
বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:১২ অপরাহ্ন

আইডিয়াল কলেজে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের পদ দখলকে ঘিরে তৈরি হয়েছে প্রশাসনিক অস্থিরতা ও অচলাবস্থা 

প্রতিবেদকের নামঃ শাহীন স্বাধীন
  • আপডেটের সময় : শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৮৭ সময় দর্শন

রাজধানীর অন্যতম নামী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ধানমন্ডি আইডিয়াল কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের পদ দখলকে কেন্দ্র করে চরম প্রশাসনিক অস্থিরতা ও অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোহাম্মদ রেযওয়ানুল হক এবং রসায়ন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. খন্দকার মোহাম্মদ সোহেলের মধ্যে ক্ষমতার এই দ্বন্দ্ব এখন প্রকাশ্য। নেতৃত্বের এই টানাপোড়েনে প্রতিষ্ঠানের স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি সাধারণ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোহাম্মদ রেযওয়ানুল হকের অভিযোগ, একদল শিক্ষক গত ১৬ মার্চ ও ১৯ ফেব্রুয়ারি তাঁর কক্ষে জোরপূর্বক প্রবেশ করে বিশৃঙ্খলা (মব) সৃষ্টি করেন। হামলাকারীরা অধ্যক্ষ ও সেখানে উপস্থিত এক নারী শিক্ষককে অকথ্য ভাষায় গালাগাল ও হেনস্তা করেন, মোবাইল ফোন ও গাড়ির চাবি ছিনিয়ে নেন এবং কক্ষে তালা ঝুলিয়ে দেন। ওই শিক্ষকরা অধ্যাপক ড. খন্দকার মোহাম্মদ সোহেলের অনুসারী। কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি ড. মোস্তফা আল মামুন বলেন, জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে ড. সোহেল প্রথম পাঁচজনের মধ্যে না থাকায় তাঁকে নিয়ম অনুযায়ী অধ্যক্ষ করার কোনো সুযোগ ছিল না। এই পদ না পাওয়ার ক্ষোভ থেকেই তিনি এবং তাঁর অনুসারীরা কলেজে বিশৃঙ্খলা ও বিরূপ আচরণ করছেন।

জানা গেছে, শিক্ষকদের ওপর হামলার ঘটনায় কর্তৃপক্ষের অনুমতিক্রমে কলাবাগান থানায় একটি মামলা করা হয়েছে। এ ছাড়া তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং অভিযুক্ত পাঁচজন শিক্ষককে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, বরখাস্ত হওয়ার পরও ওই শিক্ষকরা আগাম জামিন নিয়ে কলেজে ঢুকে নতুন রুটিন ছিঁড়ে ফেলা এবং শিক্ষকদের হাজিরা খাতায় জোরপূর্বক স্বাক্ষরের মতো বিশৃঙ্খলা চালিয়ে যাচ্ছেন। কলেজের আইনি উপদেষ্টার দাবি, এই অস্থিতিশীলতার পেছনে বৃহত্তর আর্থিক স্বার্থ জড়িত। তাঁর মতে, কলেজের প্রায় ৬০ কোটি টাকার তহবিল ও চার হাজার শিক্ষার্থীর বিপুল রাজস্ব আত্মসাতের উদ্দেশ্যে স্থানীয় কিছু অর্থলোভী ব্যক্তি এবং দুর্নীতির দায়ে চাকরিচ্যুত সাবেক অধ্যক্ষ জসিমের মদদে এই পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে। ড. খন্দকার মোহাম্মদ সোহেল ২০১২ খ্রিষ্টাব্দে বিষয়ভিত্তিক নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেও তখন যোগদান করেননি। ২০১৫ খ্রিষ্টাব্দে নতুন নিয়োগ পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়ার পরও আগের পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে তিনি নিয়োগ পেয়ে যান। বিভিন্ন অনিয়মের কারণে ২০১৮ খ্রিষ্টাব্দে তাঁকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। তবে ২০২৩ খ্রিষ্টাব্দের আগস্টে শর্ত সাপেক্ষে তিনি পুনর্বহাল হন। তবে ড. খন্দকার মোহাম্মদ সোহেল তার বিরুদ্ধে ওঠা এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ কেবল একজন সহকারী অধ্যাপক, অন্যদিকে তিনি নিজে সহযোগী অধ্যাপক, অর্থাৎ সিনিয়র—আর এ কারণেই এক বছর ধরে দ্বন্দ্ব চলছে। ত্রুটিপূর্ণ নিয়োগের বিষয়ে তিনি জানান, ২০১২ খ্রিষ্টাব্দে সহকারী অধ্যাপক পদের ইন্টারভিউতে তিনি প্রথম হয়েছিলেন। তবে সে সময় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি করার কারণে গভর্নিং বডির অনুমতি নিয়ে নিয়োগ স্থগিত রাখা হয় এবং পিএইচডি শেষে তিনি যোগদান করেন। ২০১৫ খ্রিষ্টাব্দে যে পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়ার কথা বলা হচ্ছে, তা মূলত প্রভাষক পদের ইন্টারভিউ ছিল।

Author

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
২০২5© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host